গীতাঞ্জলি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0% Completed
গীতাঞ্জলি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গীতাঞ্জলি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
যাবার দিন এই কথাটি
Reading
তুমি যখন গান গাহিতে বল
Reading
জননী তোমার করুণ চরণখানি
Reading
মেঘের ‘পরে মেঘ জমেছে
Reading
জগৎ জুড়ে উদার সুরে
Reading
কোথায় আলো কোথায় ওরে আলো
Reading
আজি ঝড়ের রাতে তোমার অভিসার
Reading
আষাঢ়সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল
Reading
জানি জানি কোন্ আদি কাল হতে
Reading
তুমি কেমন করে গান কর যে গুণী
Reading
অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলে
Reading
আমার নয়ন-ভুলানো এলে
Reading
লেগেছে অমল ধবল পালে
Reading
আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ
Reading
কত অজানারে জানাইলে তুমি
Reading
আমার মাথা নত করে দাও হে তোমার
Reading
আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই
Reading
বিপদে মোরে রক্ষা করো
Reading
প্রেমে প্রাণে গানে গন্ধে আলোকে পুলকে
Reading
তুমি নব নব রূপে এসো প্রাণে
Reading
আজ ধানের খেতে রৌদ্রছায়ায়
Reading
আনন্দেরই সাগর থেকে
Reading
তোমার সোনার থালায় সাজাব আজ
Reading
যদি তোমার দেখা না পাই প্রভু
Reading
হেরি অহরহ তোমারি বিরহ
Reading
অন্তর মম বিকশিত করো
Reading
আজি শ্রাবণ-ঘন-গহন-মোহে
Reading
দেবতা জেনে দূরে রই দাঁড়ায়ে
Reading
আর আমায় আমি নিজের শিরে বইব না
Reading
যেথায় থাকে সবার অধম দীনের হতে দীন
Reading
মানের আসন আরামশয়ন নয় তো তোমার তরে
Reading
প্রভুগৃহ হতে আসিলে যেদিন বীরের দল
Reading
তোমায় আমার প্রভু করে রাখি
Reading
যা দিয়েছ আমার এ প্রাণ ভরি
Reading
শেষের মধ্যে অশেষ আছে এই কথাটি মনে
Reading
দিবস যদি সাঙ্গ হল না যদি গাহে পাখি
Reading
এই করেছ ভালো, নিঠুর, এই করেছ ভালো
Reading
আরো আঘাত সইবে আমার
Reading
বজ্রে তোমার বাজে বাঁশি
Reading
আর নাই রে বেলা নামল ছায়া
Reading
প্রভু তোমা লাগি আঁখি জাগে
Reading
এই মলিন বস্ত্র ছাড়তে হবে
Reading
গায়ে আমার পুলক লাগে
Reading
আকাশতলে উঠল ফুটে
Reading
তুমি এবার আমায় লহো হে নাথ লহো
Reading
জীবন যখন শুকায়ে যায় করুণাধারায় এসো
Reading
এবার নীরব করে দাও হে তোমার মুখর কবিরে
Reading
সবা হতে রাখব তোমায় আড়াল ক’রে
Reading
দয়া দিয়ে হবে গো মোর জীবন ধুতে
Reading
আমার মিলন লাগি তুমি আসছ কবে থেকে
Reading
তোরা শুনিস নি কি শুনিস নি তার পায়ের ধ্বনি
Reading
মেনেছি, হার মেনেছি
Reading
যতবার আলো জ্বালাতে চাই
Reading
সভা যখন ভাঙবে তখন শেষের গান কি যাব গেয়ে
Reading
চিরজনমের বেদনা, ওহে চিরজীবনের সাধনা
Reading
ধায় যেন মোর সকল ভালোবাসা
Reading
তারা দিনের বেলা এসেছিল
Reading
তারা তোমার নামে বাটের মাঝে
Reading
এই জ্যোৎস্নারাতে জাগে আমার প্রাণ
Reading
ডাকো ডাকো ডাকো আমারে
Reading
সে যে পাশে এসে বসেছিল
Reading
বিশ্ব যখন নিদ্রামগন গগন অন্ধকার
Reading
তব সিংহাসনের আসন হতে
Reading
এসো হে এসো সজল ঘন বাদলবরিষনে
Reading
পারবি না কি যোগ দিতে এই ছন্দে রে
Reading
হেথা যে গান গাইতে আসা আমার
Reading
নিশার স্বপন ছুটল রে এই ছুটল রে
Reading
শরতে আজ কোন্ অতিথি এল প্রাণের দ্বারে
Reading
যা হারিয়ে যায় তা আগলে বসে
Reading
প্রভু আজি তোমার দক্ষিণ হাত
Reading
নামাও নামাও আমায় তোমার চরণতলে
Reading
আজি গন্ধবিধুর সমীরণে কার সন্ধানে ফিরি বনে বনে
Reading
আজি বসন্ত জাগ্রত দ্বারে
Reading
যেথায় তোমার লুট হতেছে ভুবনে
Reading
ফুলের মতন আপনি ফুটাও গান
Reading
তোমায় খোঁজা শেষ হবে না মোর
Reading
একটি নমস্কারে, প্রভু একটি নমস্কারে
Reading
যখন আমায় বাঁধ আগে পিছে
Reading
আমার চিত্ত তোমায় নিত্য হবে সত্য হবে
Reading
যতকাল তুই শিশুর মতো রইবি বলহীন
Reading
গান গাওয়ালে আমায় তুমি কতই ছলে যে
Reading
প্রেমের হাতে ধরা দেব তাই রয়েছি বসে
Reading
সংসারেতে আর-যাহারা আমায় ভালোবাসে
Reading
প্রেমের দূতকে পাঠাবে নাথ কবে
Reading
মনে করি এইখানে শেষ কোথা বা হয় শেষ
Reading
যেন শেষ গানে মোর সব রাগিণী পূরে
Reading
দুঃস্বপন কোথা হতে এসে
Reading
ভজন পূজন সাধন আরাধনা সমস্ত থাক্ পড়ে
Reading
মুখ ফিরায়ে রব তোমার পানে
Reading
আবার এসেছে আষাঢ় আকাশ ছেয়ে
Reading
আজ বরষার রূপ হেরি মানবের মাঝে
Reading
হে মোর দেবতা, ভরিয়া এ দেহ প্রাণ
Reading
নদীপারের এই আষাঢ়ের প্রভাতখানি
Reading
মরণ যেদিন দিনের শেষে আসবে তোমার দুয়ারে
Reading
দয়া করে ইচ্ছা করে আপনি ছোটো হয়ে
Reading
ওগো আমার এই জীবনের শেষ পরিপূর্ণতা
Reading
যাত্রী আমি ওরে পারবে না কেউ রাখতে আমায় ধরে
Reading
সীমার মাঝে, অসীম, তুমি বাজাও আপন সুর
Reading
আজ বারি ঝরে ঝর ঝর
Reading
সুন্দর, তুমি এসেছিলে আজ প্রাতে
Reading
আমার খেলা যখন ছিল তোমার সনে
Reading
ওই যে তরী দিল খুলে
Reading
চিত্ত আমার হারাল আজ মেঘের মাঝখানে
Reading
ওগো মৌন, না যদি কও না-ই কহিলে কথা
Reading
কথা ছিল এক-তরীতে কেবল তুমি আমি
Reading
আমার একলা ঘরের আড়াল ভেঙে
Reading
একা আমি ফিরব না আর
Reading
আমারে যদি জাগালে আজি নাথ
Reading
ছিন্ন করে লও হে মোরে
Reading
তোমার প্রেম যে বইতে পারি এমন সাধ্য নাই
Reading
কবে আমি বাহির হলেম তোমারি গান গেয়ে
Reading
নিভৃত প্রাণের দেবতা যেখানে জাগেন একা
Reading
ধনে জনে আছি জড়ায়ে হায়
Reading
আমি হেথায় থাকি শুধু গাইতে তোমার গান
Reading
এই তো তোমার প্রেম ওগো হৃদয়হরণ
Reading
আবার এরা ঘিরেছে মোর মন
Reading
দাও হে আমার ভয় ভেঙে দাও
Reading
জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ
Reading
আলোয় আলোকময় করে হে
Reading
আসনতলের মাটির ‘পরে লুটিয়ে রব
Reading
রূপসাগরে ডুব দিয়েছি
Reading
হেথায় তিনি কোল পেতেছেন
Reading
চাই গো আমি তোমারে চাই
Reading
এই মোর সাধ যেন এ জীবনমাঝে
Reading
আমার মাঝে তোমার লীলা হবে
Reading
ওরে মাঝি ওরে আমার মানবজন্মতরীর মাঝি
Reading
মনকে আমার কায়াকে আমি একেবারে মিলিয়ে দিতে
Reading
আমার নামটা দিয়ে ঢেকে রাখি যারে
Reading
নামটা যেদিন ঘুচাবে নাথ
Reading
জড়ায়ে আছে বাধা ছাড়ায়ে যেতে চাই
Reading
তোমার দয়া যদি চাহিতে নাও জানি
Reading
জীবনে যত পূজা হল না সারা
Reading
তোমার সাথে নিত্য বিরোধ আর সহে না
Reading
জীবনে যা চিরদিন রয়ে গেছে আভাসে
Reading
গাবার মতো হয় নি কোনো গান
Reading
আমার এ গান ছেড়েছে তার
Reading
ভেবেছিনু মনে যা হবার তারি শেষে
Reading
আমি চেয়ে আছি তোমাদের সবাপানে
Reading
একলা আমি বাহির হলেম তোমার অভিসারে
Reading
কে বলে সব ফেলে যাবি
Reading
হে মোর দুর্ভাগা দেশ, যাদের করেছ অপমান
Reading
ছাড়িস নে ধরে থাক এঁটে
Reading
আছে আমার হৃদয় আছে ভরে
Reading
গর্ব করে নিই নে ও নাম, জান অন্তর্যামী
Reading
উড়িয়ে ধ্বজা অভ্রভেদী রথে
Reading
জড়িয়ে গেছে সরু মোটা দুটো তারে
Reading
তাই তোমার আনন্দ আমার পর
Reading
কোন্ আলোতে প্রাণের প্রদীপ
Reading
তুমি আমার আপন তুমি আছ আমার কাছে
Reading
একটি একটি করে তোমার পুরানো তার খোলো
Reading
আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু
Reading
তুমি যে কাজ করছ আমায় সেই কাজে কি লাগাবে না
Reading
বিশ্বসাথে যোগে যেথায় বিহারো
Reading
নিন্দা দুঃখে অপমানে যত আঘাত খাই
Reading
রাজার মতো বেশে তুমি সাজাও যে শিশুরে
Reading
গান দিয়ে যে তোমায় খুঁজি বাহির মনে
Reading
বিপদে মোরে রক্ষা করো
এ নহে মোর প্রার্থনা,
বিপদে আমি না যেন করি ভয়।
দুঃখতাপে ব্যথিত চিতে
নাই-বা দিলে সান্ত্বনা,
দুঃখে যেন করিতে পারি জয়।
সহায় মোর না যদি জুটে
নিজের বল না যেন টুটে,
সংসারেতে ঘটিলে ক্ষতি
লভিলে শুধু বঞ্চনা
নিজের মনে না যেন মানি ক্ষয়।
আমারে তুমি করিবে ত্রাণ
এ নহে মোর প্রার্থনা,
তরিতে পারি শকতি যেন রয়।
আমার ভার লাঘব করি
নাই-বা দিলে সান্ত্বনা,
বহিতে পারি এমনি যেন হয়।
নম্রশিরে সুখের দিনে
তোমারি মুখ লইব চিনে,
দুখের রাতে নিখিল ধরা
যেদিন করে বঞ্চনা
তোমারে যেন না করি সংশয়।
১৩১৩
Finish Course Early?
You have not completed all required lessons and assessments.
Your Progress
0%
