গীতালি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
0% Completed
গীতালি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গীতালি – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আশীর্বাদ
Reading
অগ্নিবীণা বাজাও তুমি
Reading
অচেনাকে ভয় কী আমার ওরে
Reading
অন্ধকারের উৎস হতে উৎসারিত আলো
Reading
আগুনের পরশমণি ছোঁয়াও প্রাণে
Reading
আঘাত করে নিলে জিনে
Reading
আজি নির্ভয়নিদ্রিত ভুবনে জাগে কে জাগে
Reading
আপন হতে বাহির হয়ে
Reading
আবার যদি ইচ্ছা কর আবার আসি ফিরে
Reading
আবার শ্রাবণ হয়ে এলে ফিরে
Reading
আমার বোঝা এতই করি ভারী
Reading
আমার সকল রসের ধারা
Reading
আমার সুরের সাধন রইল পড়ে
Reading
আমার আর হবে না দেরি
Reading
আমি অধম অবিশ্বাসী
Reading
আমি পথিক, পথ আমারি সাথি
Reading
আমি যে আর সইতে পারি নে
Reading
আমি হৃদয়েতে পথ কেটেছি
Reading
আলো যে আজ গান করে মোর প্রাণে গো
Reading
আলো যে যায় রে দেখা
Reading
এ দিন আজি কোন্ ঘরে গো খুলে দিল দ্বার
Reading
এই আবরণ ক্ষয় হবে গো ক্ষয় হবে
Reading
এই কথাটা ধরে রাখিস
Reading
এই তীর্থ-দেবতার ধরণীর মন্দির-প্রাঙ্গণে
Reading
এই নিমেষে গণনাহীন নিমেষ গেল টুটে
Reading
এই যে কালো মাটির বাসা
Reading
এই শরৎ-আলোর কমল-বনে
Reading
এক হাতে ওর কৃপাণ আছে
Reading
এখানে তো বাঁধা পথের
Reading
এতটুকু আঁধার যদি
Reading
এদের পানে তাকাই আমি
Reading
এবার আমায় ডাকলে দূরে
Reading
ও আমার মন যখন জাগলি না রে
Reading
ও নিঠুর, আরো কি বাণ
Reading
ওই-যে সন্ধ্যা খুলিয়া ফেলিল তার
Reading
ওই অমল হাতে রজনী প্রাতে
Reading
ওগো আমার প্রাণের ঠাকুর
Reading
ওগো আমার হৃদয়বাসী
Reading
ওরে ভীরু তোমার হাতে
Reading
কাঁচা ধানের ক্ষেতে যেমন
Reading
কাণ্ডারী গো, যদি এবার
Reading
কূল থেকে মোর গানের তরী
Reading
কেমন করে এমন বাধা ক্ষয় হবে
Reading
কেমন করে তড়িৎ-আলোয়
Reading
কোন্ বরতা পাঠালে মোর পরানে
Reading
ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো প্রভু
Reading
খুশি হ তুই আপন মনে
Reading
গতি আমার এসে ঠেকে যেথায় শেষে
Reading
ঘরের থেকে এনেছিলেম
Reading
ঘুম কেন নেই তোরি চোখে
Reading
চোখে দেখিস, প্রাণে কানা
Reading
জাগো নির্মল নেত্রে রাত্রির পরপারে
Reading
জীবন আমার যে অমৃত
Reading
তব গানের সুরে হৃদয় মম রাখো হে রাখো ধরে
Reading
তুমি আড়াল পেলে কেমনে
Reading
তোমার কাছে এ বর মাগি
Reading
তোমার কাছে চাই নে আমি অবসর
Reading
তোমার দুয়ার খোলার ধ্বনি
Reading
তোমার ভুবন মর্মে আমার লাগে
Reading
তোমার মোহন রূপে কে রয় ভুলে
Reading
তোমার এই মাধুরী ছাপিয়ে আকাশ ঝরবে
Reading
তোমার খোলা হাওয়া লাগিয়ে পালে
Reading
তোমায় ছেড়ে দূরে চলার
Reading
তোমায় সৃষ্টি করব আমি
Reading
দুঃখ এ নয়, সুখ নহে গো
Reading
দুঃখ যদি না পাবে তো
Reading
দুঃখ যে তোর নয় রে চিরন্তন
Reading
দুঃখের বরষায় চক্ষের জল যেই নামল
Reading
না গো, এই যে ধুলা আমার না এ
Reading
না বাঁচাবে আমায় যদি
Reading
না রে, তোদের ফিরতে দেব না রে
Reading
না রে, না রে, হবে না তোর স্বর্গসাধন
Reading
নাই কি রে তীর, নাই কি রে তোর তরী
Reading
নাই বা ডাক, রইব তোমার দ্বারে
Reading
পথ চেয়ে যে কেটে গেল
Reading
পথ দিয়ে কে যায় গো চলে
Reading
পথে পথেই বাসা বাঁধি
Reading
পথের সাথি, নমি বারম্বার
Reading
পান্থ তুমি, পান্থজনের সখা হে
Reading
পুষ্প দিয়ে মার যারে
Reading
প্রভু আমার, প্রিয় আমার, পরমধন হে
Reading
প্রেমের প্রাণে সইবে কেমন করে
Reading
ফুল তো আমার ফুরিয়ে গেছে
Reading
বলো, আমার সনে তোমার কী শত্রুতা
Reading
বাঁধা দিলে বাধবে লড়াই
Reading
বাজিয়েছিলে বীণা তোমার
Reading
বিশ্বজোড়া ফাঁদ পেতেছ
Reading
বৃন্ত হতে ছিন্ন করি শুভ্র কমলগুলি
Reading
ব্যথার বেশে এল আমার দ্বারে
Reading
ভেঙেছে দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়
Reading
মনকে হেথায় বসিয়ে রাখিস নে
Reading
মালা হতে খসে-পড়া ফুলের একটি দল
Reading
মুদিত আলোর কমল-কলিকাটিরে
Reading
মেঘ বলেছে যাব যাব
Reading
মোর হৃদয়ের গোপন বিজন ঘরে
Reading
মোর মরণে তোমার হবে জয়
Reading
যখন তুমি বাঁধছিলে তার
Reading
যখন তোমায় আঘাত করি
Reading
যদি আমায় তুমি বাঁচাও তবে
Reading
যা দেবে তা দেবে তুমি আপন হাতে
Reading
যাস নে কোথাও ধেয়ে
Reading
যে থাকে থাক্-না দ্বারে
Reading
যে দিল ঝাঁপ ভবসাগর-মাঝখানে
Reading
যেতে যেতে একলা পথে
Reading
যেতে যেতে চায় না যেতে
Reading
লক্ষ্মী যখন আসবে তখন
Reading
শরৎ তোমার অরুণ আলোর অঞ্জলি
Reading
শুধু তোমার বাণী নয় গো
Reading
শেষ নাহি যে শেষ কথা কে বলবে
Reading
সন্ধ্যা হল, একলা আছি ব’লে
Reading
সন্ধ্যাতারা যে ফুল দিল তোমার চরণ-তলে
Reading
সরিয়ে দিয়ে আমার ঘুমের
Reading
সহজ হবি সহজ হবি
Reading
সারা জীবন দিল আলো
Reading
সুখে আমায় রাখবে কেন
Reading
সুখের মাঝে তোমায় দেখেছি
Reading
সেই তো আমি চাই
Reading
হিসাব আমার মিলবে না তা জানি
Reading
হৃদয় আমার প্রকাশ হল
Reading
ওই-যে সন্ধ্যা খুলিয়া ফেলিল তার
সোনার অলংকার।
ওই সে আকাশে লুটায়ে আকুল চুল
অঞ্জলি ভরি ধরিল তারার ফুল,
পূজায় তাহার ভরিল অন্ধকার।
ক্লান্তি আপন রাখিয়া দিল সে ধীরে
স্তব্ধ পাখির নীড়ে।
বনের গহনে জোনাকি-রতন-জ্বালা
লুকায়ে বক্ষে শান্তির জপমালা
জপিল সে বারবার।
ওই-যে তাহার লুকানো ফুলের বাস
গোপনে ফেলিল শ্বাস।
ওই-যে তাহার প্রাণের গভীর বাণী
শান্ত পবনে নীরবে রাখিল আনি
আপন বেদনাভার।
ওই-যে নয়ন অবগুণ্ঠনতলে
ভাসিল শিশিরজলে।
ওই-যে তাহার বিপুল রূপের ধন
অরূপ আঁধারে করিল সমর্পণ
চরম নমস্কার।
শান্তিনিকেতন, ১৬ আশ্বিন- সন্ধ্যা, ১৩২১
Finish Course Early?
You have not completed all required lessons and assessments.
Your Progress
0%
